• Home
  • About
  • Contact
    • Category
    • Category
    • Category
  • Shop
  • Advertise
Tips and Tricks
All News

Social Counter

  • facebook count=3.5k;
    Follow
  • twitter count=1.7k;
    Follow
  • gplus count=735;
    Follow
  • youtube count=2.8k;
    Follow
  • pinterest count=524;
    Follow
  • dribbble count=7.3k;
    Follow
  • instagram count=849;
    Follow
  • rss count=286;
    Follow

Search This Blog

Recent Posts

Latest Posts

Comments

recentcomments

sponsor

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • অন্যান্য
  • Blogger Templates
  • হোম
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ

Featured Posts

Recent Posts

Recent in Sports

Online Income
All News
Content Marketing
All News
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সব দেখুন
Technology
All News
  • Home
  • About
  • Contact
  • Advertise

Tags

অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা জীবনযাপন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনোদন মতামত রাজধানী রাজনীতি লেটেস্ট শিক্ষা সর্বশেষ
জীবনযাপন

Popular Posts

  • ভারতবিরোধী ‘রেটরিক’ নয়, চাই জাতীয় সক্ষমতা
    ভারতবিরোধী ‘রেটরিক’ নয়, চাই জাতীয় সক্ষমতা
  • ভোটের হার বাড়ানো চ্যালেঞ্জ
    ভোটের হার বাড়ানো চ্যালেঞ্জ
  • ইইউ ও ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা
    ইইউ ও ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা

Pages

  • Home
  • contact us
  • privacy & policy
  • sitemap

Sports

Join with us

  • World
  • Sports
  • Tech
  • Community
  • Shop
  • Features
বিনোদন
tokiunlimited
মতামত
facebook twitter instagram pinterest bloglovin Email

লস্কর বার্তা

 



নির্বাচনী জোট আর ভারতবিরোধী রাজনীতির ডামাডোলে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক ইস্যু বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পায়নি। গত ২৭ ডিসেম্বর দেশের সুতা মিলের মালিকেরা জরুরি মিটিং ডেকেছিলেন। তাঁরা সরকারের কাছে আকুতি জানিয়েছিলেন দেশের সুতা মিলগুলোকে ভারতীয় আমদানির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য।


আমাদের পোশাকশিল্পের ৮০ শতাংশের বেশি সুতা আসে ভারত থেকে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো কাঁচামালের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। এর মানে কি এই যে আমাদের সুতা নেই, ভারতের সুতাই ভরসা? মোটেও তা নয়। আমাদের শিল্প অঞ্চলগুলোয় প্রায় ৫০০ সুতা কারখানা আছে। অথচ ভারতীয় সস্তা সুতা আমদানিতে দেশের সুতা কারখানাগুলো ধ্বংসের পথে। গত অর্থবছরে ভারতীয় সুতা আমদানি বেড়েছে ১৩৭ শতাংশ!


ভারতের সুতা আমাদের দেশীয় কারখানার সুতার চেয়ে সস্তা। কেজিতে ২ দশমিক ৭ ডলার। এদিকে লোকাল সুতা কেজিতে ৩ ডলার। যখন ‘ইনসেনটিভ’ ছিল, দামের পার্থক্য ছিল মাত্র ৫ সেন্ট। এখন পার্থক্য ৩০ সেন্ট। খুব স্বাভাবিকভাবেই গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা খরচ বাঁচাতে ‘ঢাকা’র সুতা বাদ দিয়ে ‘দিল্লি’র সুতাই কিনছেন। বিটিএমএ বলছে, এক বছরে বন্ধ হয়েছে ৫০টির বেশি সুতা কারখানা। চাকরি হারিয়েছেন দেড়-দুই লাখ শ্রমিক। অর্থাৎ ভারতীয় সস্তা সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকতে পারছে না দেশের সুতা মিল।

Share
Tweet
Pin
Share
No coment rios


 ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের পতাকা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের পতাকাফাইল ছবি প্রায় ২০ বছর ধরে আলোচনার পর ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গত সপ্তাহে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্ত করেছে। এটি কার্যকর হলে ভারতে রপ্তানি করা ইইউর প্রায় ৯৬ শতাংশ পণ্যে শুল্ক উঠে যাবে। অন্যদিকে ভারতের ৯০ শতাংশ পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নেবে ইইউ। সেটি হলে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়বে। এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারতের পণ্যের মুক্তবাণিজ্য শুরু হবে। বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) যৌথভাবে দখলে রেখেছে ইইউ ও ভারত। তাদের হাতেই আছে প্রায় ২০০ কোটি টাকার বড় এক বাজার। দুই দেশের শীর্ষ নেতা এটিকে ‘মাদার অব অল ডিলস’ (সব চুক্তির সেরা) হিসেবে অভিহিত করেছেন। এফটিএ কার্যকর হলে ইইউর বাজারে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন পণ্যে ভারত শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। সেটি হলে বাজারটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে। যদিও বর্তমানে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা জিএপির অধীনে ইইউতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ। তবে চলতি বছরের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে বাংলাদেশ। তারপর তিন বছর অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইইউর বাজারে জিএসপি–সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।
রপ্তানিকারক ও অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, ইইউ ও ভারতের মধ্যকার এফটিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকশিল্প বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়বে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা পেলেও তার অধীনে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। সে ক্ষেত্রে বিকল্প হচ্ছে ইইউর সঙ্গে এফটিএ করা। না হলে শুল্ক দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি করতে হবে। সেটি হলে ইইউর মতো বড় বাজারে রপ্তানি কমতে পারে।

ইইউ বাংলাদেশি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। তার মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে ইইউর বাজারে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ৮ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন, কানাডায় ১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন, জাপানে ১ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
Share
Tweet
Pin
Share
No coment rios

About me

About Me

Aenean sollicitudin, lorem quis bibendum auctor, nisi elit conseat ipsum, nec sagittis sem nibh id elit. Duis sed odio sit amei.

Follow Us

  • facebook
  • twitter
  • instagram
  • Google+
  • pinterest
  • youtube

Categories

recent posts

Sponsor

Facebook

Blog Archive

  • February 2026 (20)
  • January 2026 (4)

Facebook