• Home
  • About
  • Contact
    • Category
    • Category
    • Category
  • Shop
  • Advertise
Tips and Tricks
All News

Social Counter

  • facebook count=3.5k;
    Follow
  • twitter count=1.7k;
    Follow
  • gplus count=735;
    Follow
  • youtube count=2.8k;
    Follow
  • pinterest count=524;
    Follow
  • dribbble count=7.3k;
    Follow
  • instagram count=849;
    Follow
  • rss count=286;
    Follow

Search This Blog

Recent Posts

Latest Posts

Comments

recentcomments

sponsor

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • অন্যান্য
  • Blogger Templates
  • হোম
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ

Featured Posts

Recent Posts

Recent in Sports

Online Income
All News
Content Marketing
All News
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সব দেখুন
Technology
All News
  • Home
  • About
  • Contact
  • Advertise

Tags

অর্থনীতি আন্তর্জাতিক খেলাধুলা জীবনযাপন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনোদন মতামত রাজধানী রাজনীতি লেটেস্ট শিক্ষা সর্বশেষ
জীবনযাপন

Popular Posts

  • ভারতবিরোধী ‘রেটরিক’ নয়, চাই জাতীয় সক্ষমতা
    ভারতবিরোধী ‘রেটরিক’ নয়, চাই জাতীয় সক্ষমতা
  • ভোটের হার বাড়ানো চ্যালেঞ্জ
    ভোটের হার বাড়ানো চ্যালেঞ্জ
  • ইইউ ও ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা
    ইইউ ও ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা

Pages

  • Home
  • contact us
  • privacy & policy
  • sitemap

Sports

Join with us

  • World
  • Sports
  • Tech
  • Community
  • Shop
  • Features
বিনোদন
tokiunlimited
মতামত
facebook twitter instagram pinterest bloglovin Email

লস্কর বার্তা



১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পরিবর্তনের পর এই নির্বাচন ঘিরে দেশের মানুষের মধ্যে অপেক্ষা ও কৌতূহল ব্যাপক। ভোটের দিন সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোর প্রচার চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।


নির্বাচন গণমুখী ও অধিক গ্রহণযোগ্য করতে আগের ১২টি সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবার বেশি ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ আর নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ১২০ জন। এবার সর্বোচ্চসংখ্যক তরুণ ভোটার তাদের জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন; যা ভোটের হার বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালে, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত ১২টি নির্বাচনের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৮৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল। অন্যদিকে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে সর্বনিম্ন ২৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভোট পড়ে, যা দেশের নির্বাচন ইতিহাসে নজিরবিহীন। রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থার ওপর ভোটার উপস্থিতির হার যে নির্ভর করে, এ তথ্যগুলো তারই প্রতিফলন।

এবারের নির্বাচন ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কতটা প্রভাবিত হবে তা নিয়ে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ছাড়া অধিকাংশ দল অংশগ্রহণ করলেও অনেকের ধারণা, দলটির অনুপস্থিতিতে ভোটের হার কমে যেতে পারে। বিশেষ করে পরিচিত ও কট্টর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের একটি অংশ কেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। হামলা বা মামলার আশঙ্কা তাদের অনেককে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের মত। স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের অনেক সমর্থকের সঙ্গে কথা বলে এমন আভাস পাওয়া গেছে।


তবে আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক নন এমন অনেকের ভিতরেই পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। নিরাপদ পরিবেশ দেখলে তারা ভোট দিতে যেতে চান। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে আওয়ামী লীগের সব ভোটার এক রকম নন। যারা কট্টর নন তাদের একটি বড় অংশ ভোট দিতে যেতে পারেন, বিশেষ করে যেসব এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছে। আবার কোথাও কোথাও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বিএনপি ও জামায়াতে যোগ দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক তিন ভাগে বিভক্ত হতে পারে। এক অংশ ভোটে অংশ নেবে না, এক অংশ ব্যালট নষ্ট করতে পারে এবং আরেক অংশ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিকল্প দল বা প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে। ’ বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরে সুবিধাবাদীদের জায়গা দিতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের অবমূল্যায়ন করেছে। ফলে বর্তমান সংকটে প্রকৃত সমর্থক আর সুবিধাভোগীর পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ভোটের হার ও ভোটের আচরণই আগামী দিনে আওয়ামী লীগের প্রকৃত সামাজিক সমর্থনের একটি চিত্র তুলে ধরবে। এ বাস্তবতায় ভোটের হার শুধু একটি সংখ্যাই নয়, বরং এটি রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্য, গণতান্ত্রিক গ্রহণযোগ্যতা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্যের বড় সূচক হয়ে উঠবে। ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

২১ বছর পর টাঙ্গাইলে তারেক রহমান : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ টাঙ্গাইল সফরে আসছেন। বিকাল ৪টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দরুন চরজানা বাইপাস এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। টাঙ্গাইলে এটিই তারেক রহমানের প্রথম রাজনৈতিক জনসভা। এর আগে ২০০৪ সালে তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এলেও বক্তব্য দেননি। এদিকে তারেক রহমানকে বরণ ও সমাবেশ সফল করতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। সমাবেশ ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ করা গেছে। দলীয় সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামবে সমাবেশে। নেতা-কর্মীদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সভাস্থলে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে। গতকাল সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, এই জনসভা দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিএনপি চেয়ারম্যান দলের নির্বাচনি অঙ্গীকারগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরবেন। তার এই সফর নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।

Share
Tweet
Pin
Share
No coment rios

 জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, এমন সাতজনকে এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী করেছে বিএনপি। তাঁদের মধ্যে ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন পাঁচজন। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন দুজন।



ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিদের মধ্যে যাঁরা এবার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তাঁরা হলেন ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি), আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) ও রাজীব আহসান। আর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে এবার প্রার্থী হয়েছেন আমিরুল ইসলাম খান ও হাবিবুর রশিদ।


১৯৯২ সালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন ফজলুল হক মিলন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি। গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করছেন। এই আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য খায়রুল হাসান।


ছাত্রদলের সাবেক সভাপতিদের মধ্যে যাঁরা এবার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তাঁরা হলেন ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি), আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) ও রাজীব আহসান। আর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে এবার প্রার্থী হয়েছেন আমিরুল ইসলাম খান ও হাবিবুর রশিদ।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী ১৯৯৭ সালে ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়কও ছিলেন। বিএনপির মনোনয়নে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করছেন তিনি। এর আগেও তিনি দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী।


এই আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী রেজাউল করিম। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন।


ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল খুলনা-৪ আসন (রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ২০০৪ সালে ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। হেলাল বর্তমানে বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক।


সুলতান সালাউদ্দিন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন ২০১০ সালে। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। এবার টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তিনি। ছাত্রদলের শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করার পর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি বিএনপির প্রচার সম্পাদক।


২০১৪ সালে ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন রাজীব আহসান। তিনি এবার বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-কাজীরহাট) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালনের পর এখন তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল। এই সংগঠনের সাবেক নেতাদের নির্বাচনে প্রার্থী করার বিষয়ে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, প্রার্থী করার ক্ষেত্রে দল সবকিছু বিবেচনায় নেয়।

সাবেক দুই সাধারণ সম্পাদকও প্রার্থী

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে এবার দুজন ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তাঁরা হলেন আমিরুল ইসলাম খান ও হাবিবুর রশিদ। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-এনায়েতপুর-চৌহালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান। তিনি ২০১০ সালে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতিও ছিলেন।


আর হাবিবুর রশিদ ২০১২ সালে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এবার ঢাকা-৯ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন তিনি।


ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মধ্যে প্রার্থী যাঁরা

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নির্বাচিত হন। ভিপি থাকা অবস্থায় ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবার তিনি ঢাকা-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।


নরসিংদী-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন ১৯৯০ সালে আমানউল্লাহ আমানের সঙ্গে ডাকসুর জিএস ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব।


ছাত্রদলের সাবেক নেতা মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীম ১৯৯০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এজিএস ছিলেন। এবার তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৬ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। এই আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।


ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতাদের (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বাইরে) মধ্যে এবার যাঁরা মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁদের সংখ্যা ৩৪ জনের মতো বলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক নেতা প্রথম আলোকে জানান। তাঁরা বলেন, ছাত্রদলের জেলা কমিটিতে ছিলেন এমন কয়েকজনও এবার মনোনয়ন পেয়েছেন।


শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি এবার প্রার্থী করেছে মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদকে (অপু)। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসম্পাদক ছিলেন।


খুলনা-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী রকিবুল ইসলাম (বকুল) ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।


সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। গুমের শিকার হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তিনি।


ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া শহীদুল ইসলাম কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ছিলেন। তিনি এখন কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক।


টাঙ্গাইল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া এস এম ওবায়দুল হক ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন।


মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী করেছে মো. কামরুজ্জামানকে। তিনি ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী করেছে আনিসুর রহমান তালুকদারকে।তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।


এর বাইরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আরও কয়েকজন নেতা এবার ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন।


বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল। এই সংগঠনের সাবেক নেতাদের নির্বাচনে প্রার্থী করার বিষয়ে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, প্রার্থী করার ক্ষেত্রে দল সবকিছু বিবেচনায় নেয়।



Share
Tweet
Pin
Share
No coment rios
Older Posts

About me

About Me

Aenean sollicitudin, lorem quis bibendum auctor, nisi elit conseat ipsum, nec sagittis sem nibh id elit. Duis sed odio sit amei.

Follow Us

  • facebook
  • twitter
  • instagram
  • Google+
  • pinterest
  • youtube

Categories

recent posts

Sponsor

Facebook

Blog Archive

  • February 2026 (20)
  • January 2026 (4)

Facebook